রোহিঙ্গাদের এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করছে বার্মা

শেয়ার করুন

বর্তমান সময়ে ক্যাম্পের অরাজকতা,খুনোখুনি,ইয়াবা ব্যবসা এমনকি রোহিঙ্গাদের হাতে অস্ত্র আসবার ঘটনা চিন্তার খোরাক যুগিয়েছে অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মাঝে।

মাঝপথে রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে কটেজ লেভেলের আবাসস্থল বরাদ্দ দেবার পর সেখানে যেতে সায় দেন অনেক রোহিঙ্গা।তবে ক্যাম্পের মাঝিদের ভাষানচর পরিদর্শনের পর সুর পালটায় রোহিঙ্গারা।

এমতাবস্থায়,ক্যাম্পগুলোতে এনজিওগুলোর ১০ বছরের মাস্টারপ্লান এবং রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে না যেতে পরামর্শ এবং কিছু ক্ষেত্রে বিরোধীতা করে UNHCR..

ক্যাম্পগুলোর সামগ্রিক পরিবেশ বিবেচনায় বেশ কিছু ক্যাম্প মিয়ানমার সীমান্তবর্তী। এমতাবস্থায় ক্যাম্পগুলোর পরিবেশ বিনষ্ট করতে উলটো রোহিঙ্গাদেরই ব্যবহার করছে বার্মিজ সেনাবাহিনী।এক কথায় কিছু রোহিঙ্গা বাংলাদেশ বার্মিজ সেনাবাহিনীর এজেন্ট হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছে।

বাংলাদেশের সাথে সীমান্তে সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও ক্যাম্পের সকল খবরের উপরই চোখ রাখে বার্মিজ সেনাবাহিনী।এমনকি ইয়াবা পাচার,চোরাচালান করবার জন্য বার্মিজ সেনাবাহিনীর সাথে প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে আর বার্মিজ আর্মির সাথে যোগাযোগ রাখা রোহিঙ্গারা আবার মাসিক হিসেবে বেতন ও পেয়ে থাকেন।

যোগাযোগ এর মাধ্যম হিসেবে ইমো আর ওয়াটস আপ রোহিঙ্গাদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।

মুলত এনজিও গুলোর চাপ এবং কক্সবাজার হতে ক্যাম্প সরে গেলে মিয়ানমারের কক্সবাজারকে অস্থিতিশীলতা করবার সুযোগ কমে যাওয়ার সুযোগ বেড়ে যাওয়ার দরুন এখনো রোহিঙ্গাদের ভাষানচড়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

মিয়ানমার এবং এনজিও গুলোর এজেন্ডা হলো রোহিঙ্গা সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করা এবং বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের প্রতিষ্ঠিত করা।যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন(EU) এত মানবতার কথা বলে এমনকি তারাও রোহিংগাদের নাম বার্মিজ ভোটার তালিকা হতে মুছে ফেলতে সহায়তা করছে বার্মিজ ইলেকশন কমিশনকে।

আবার ক্যাম্পে সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য সামরিক সংস্থার ডিউটি প্যাটার্ন,অবস্থান এবং সক্ষমতার উপর বার্মিজ আর্মি প্রায়শই নজরদারী করছে।যা দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার উপর বড় একটি হুমকী।


শেয়ার করুন

লিখেছেন: তানভির জিসান

তানভির জিসান এর সব লেখা দেখুন →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *